Thursday, 16 November 2017

আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না। এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে।

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন। 

সেগুলো হলো-------------------------


১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ -----------------------

যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত।
নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন,
“উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে। একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।”


এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন,----------------
“তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।”
 [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫]
তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।


. দু’আ ও যিকর করাঃ --------------------

আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন।
এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি,
“হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।”
[সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪]


তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,
“…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…
” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪]
তাই আমাদের উচিত যিকর,
তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ),
 তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ),
তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) –
এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।


৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ --------------------

প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না।
ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
“আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যেন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো
কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।”


আল-খাতীব আল-জামী'(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ
“এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে?
তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’”
যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।


. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ -------------------

একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়।
কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়।
কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে। কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে।
 তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। 


আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি কপি) ব্যবহার করা। কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।


. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ ---------------------

আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়।
কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই। তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়। 


এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো।
আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।


. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ-------------------

 পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে।
ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি। তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। 


সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন।
 ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।”
মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়।
ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।”


৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ-------------------

 আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে।
তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
 অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে।
আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।


৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপার সমূহ ত্যাগ করাঃ ----------------

বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি। ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না। 


মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি।
আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা।
তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা।


৯. হাল না ছাড়াঃ ------------------

যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া।
যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।


যে কয়েকটি কারণ আপনার স্মৃতি শক্তি কমানোর জন্য দায়ী

---------------------------------------------------------------------

মানুষের মস্তিষ্কটাকে কম্পিউটার প্রসেসরের মতই ধরা হয়ে থাকে। এর একটি নির্দিষ্ট প্রসেসিং পাওয়ার রয়েছে আর রয়েছে বুদ্ধিমত্তাও। এই বুদ্ধিমত্তা আমরা কে কতখনি ব্যবহার করব তা নির্ভর করছে আমাদের ওপর।
 কোন কাজ শেষ করতে, সমস্যার সমাধান করতে, মনোযোগ দিতে, সৃজনশীল কাজে প্রয়োজন এই বুদ্ধিমত্তার। কিন্তু কিছু কিছু চিন্তার ভুল, মানসিক দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় বুদ্ধি বা আইকিউ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে মানুষের কোনো কিছু মনে রাখার ক্ষমতাও। বয়সের কারনে এ সময় মানুষের মস্তিস্কও খুব কম কাজ করে। 


এছাড়াও মানুষের আরও অনেক সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় আবার ছোট বাচ্চাদের স্মৃতি সমস্যা দেখা যায়। আর স্মৃতি শাক্তি মানুষের জন্য কতোটা প্রয়োজন এটা নিয়ে মনে হয় নতুন করে আর কিছু বলার নেই। অনেকে কোন কিছু একবার দেখলেই অনেকদিন পর্যন্ত স্মৃতিতে ধরে রাখেতে পারে। 


আপনি হয়তো ওই ব্যক্তির মতো কোন কিছুর দিকে বারবার তাকাচ্ছেন কিন্তু জিনিসটি মনে রাখতে পারছেন না। তবে কি আপনার মেধা অবশ্যই কম? আসলে সবাই একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে অনেকগুলো কৌশলের মধ্যে কয়েকটি সহজ কৌশলে আপনি বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতি শক্তি
যে কোন জটিল কাজ করার সময় আমাদের যদি অতিরিক্ত বুদ্ধি খরচের প্রয়োজন পড়ে তাহলে তার বিরূপ প্রভাব পড়ে আমাদের মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা এবং ফোকাসের ওপর।
 সাময়িকভাবে আমাদের আইকিউ কমে যায়।


যেমন, আমরা যদি হাঁটতে হাঁটতে ১০০০ থেকে পেছনের দিকে ৭ বাদ দিয়ে গুণতে শুরু করি অর্থাৎ ১০০০, ৯৯৩, ৯৮৬ এভাবে এগিয়ে যেতে থাকি তাহলে একসময় হাঁটা থামিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ব। কারণ মস্তিষ্ক একই সঙ্গে দুই দিকে মনোযোগ দিতে পারবে না। কিন্তু কাজটি যদি এত জটিল না হত তাহলে একইসঙ্গে করা যেত। যেমন, আমরা গান শুনতে শুনতে অংক করতে পারি। খেতে খেতে বই পড়তে পারি।
আমাদের মানসিক কিছু অভ্যাস আছে যা আমাদের একই সঙ্গে দুই দিকে মনোযোগ দিতে দেয় না। আমরা যদি এগুলো সম্পর্কে সচেতন হই তাহলে নিজেদের যোগ্যতাকে আরও বাড়াতে পারব, আরও জটিল সমস্যা সমাধানে পারদর্শী হতে পারব। আসুন জেনে নিই এই মানসিক অভ্যাসগুলোর কথা।


১। গভীর চিন্তা  ---------------------------

একজন মানুষ যদি সর্বোক্ষণ হতাশা এবং বিষন্নতায় ভোগে এবং নেতিবাচক চিন্তা করতে থাকে তাহলে এর বিরূপ প্রভাব মস্তিষ্কে পড়ে।
আমরা যখন স্ট্রেসড থাকি তখন অনেক স্বাভাবিক বিষয়ও ভুলে যেতে থাকি। ছোট-খাট অনেক ভুল করতে থাকি যা করার কথা নয়। কারণ গভীর মানসিক চাপ আমাদের মনোযোগ ব্যাহত করে।
শুধু মানসিক নয়, এর অনেক শারীরিক কুপ্রভাবও আছে।


২। সমাধান না হওয়া আত্মগ্লানি -------------------

আমাদের জীবনে বিভিন্ন রকম ভুল আমরা করি।
 সেগুলো আমাদের মধ্যে এক ধরণের আত্মগ্লানি তৈরি করে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলোর কোন সমাধান নেই। এমনকি এমনও অনেক সময় হয় যে, আমাদের দোষ না থাকা স্বত্ত্বেও আমরা নিজেদের দোষী মনে করি।
 এতে আমাদের মন ভারাক্রান্ত থাকে। নিজেকে দোষী মনে করে সারাক্ষণ কষ্টে থাকা ধীরে ধীরে নিজেকে শেষ করে দেয়ার সামিল।
এই সমস্যার সবচেয়ে ভাল সমাধান হল, ক্ষমা চাওয়া এবং নিজেকে আত্মগ্লানি থেকে মুক্তি দেয়া।


অকারণ অভিযোগ --------------------

কিছু ক্ষেত্রে রাগ প্রকাশের কোন মানে নেই।
এমন অনেক ঘটনার সম্মুখীন আমাদের হতে হয়, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। কিন্তু আমরা সেগুলোতে রাগ প্রকাশ করবোই, এটা যেন নির্ধারিত সত্য।
শুধু তাই নয়, একই ঘটনা আমরা যতবার বর্ণনা করি ততবার আমরা রেগে যাই। এতে অনেক শক্তি খরচ হয়।
যেসব অভিযোগের কোন সমাধান নেই সেসব অভিযোগ আমাদের দুর্বল বোধ করায়, আত্মবিশ্বাস কমায়। এতে মনোযোগ দেয়া, বুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতাও হ্রাস পায়।
তাই যত আমরা স্বাভাবিকভাবে পরিস্থিতিকে গ্রহণ করব তত আমাদের সুযোগ তৈরি হবে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার।
 মাথা ঠাণ্ডা রেখে প্রতিকূল অবস্থা বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারব।


৪। দুশ্চিন্তা করা --------------------

আমাদের মধ্যে বেশীরভাগ মানুষই চিন্তা করাকে ক্ষতিকারক মনে করেন না।
অথচ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এক প্রকারের ব্যাধি। দুশ্চিন্তা আমাদের বুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতাকে হ্রাস করে। ক্রমাগত দুশ্চিন্তা করা একটি অভ্যাসে পরিণত হয়।
এমন অনেক মানুষ আছেন যারা অল্প সমস্যাতেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে আর কোন সমাধান তো পানই না, অন্যদেরকেও সমস্যায় ফেলে দেন।
অনেকে কোন কারণ ছাড়াই দুশ্চিন্তা করে রাতে ঘুমাতে পারেন না। 


৫। অগ্রহণযোগ্যতা -----------------------

আমরা কোথাও নিজেদের অগ্রহণযোগ্যতা মেনে নিতে পারি না। আশানুরূপ প্রবেশাধিকার না থাকলে আমরা হতাশা বোধ করি। 
এই অভ্যাস আছে সব মানুষেরই। নিজেদের জন্য ‘না’ শব্দটি আমরা চাই না। যুক্তির বদলে আমরা আবেগ দিয়ে বিচার করি তখন। কখনো কখনো নিজের সমালোচনা করি। কখনো বা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠি। 
ফলাফল নেই এমন প্রতিটি আচরণ আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, বুদ্ধি কমায়।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

সবকিছুর সহজ সমাধান হল, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী। জীবন সম্পর্কে বাস্তব বোধ আমাদেরকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে।
পূর্বে ধারণা করা হতো, কোন ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা পারিবারিক ইতিহাসের উপর নির্ভর করে।
 তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে বিভিন্ন চর্চা ও খাদ্যতালিকার পরিবর্তনের ফলে মানুষ নিজেই তার বুদ্ধিমত্তার স্তর খুব সহজে বাড়িয়ে নিতে পারে।
 ----------চলুন জেনে আসি যে কয়েক উপায়ে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার আইকিউ লেভেল----------


১) প্রচুর পড়তে হবেঃ --------------------------

পড়ালেখা শুধু নিজের বিভাগ অনুযায়ী করলে হবে না। যেমন আপনি যদি বিজ্ঞানের ছাত্র হন শুধু বিজ্ঞানের বই পড়লে চলবে না। আপনাকে পড়তে হবে সব ধরণের বই। পড়তে হবে পত্রিকা, ম্যাগাজিন, জোকস, উপন্যাস, কবিতা, গল্প সব কিছু।
এতে আপনার মস্তিষ্ক বিভিন্ন দিকে চিন্তা করার ক্ষমতা পাবে।


) পাজল মিলানঃ--------------------------

বিভিন্ন পত্রিকায় শব্দজট, পাজল, বুদ্ধির প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন। খেলুন রুবিক্স কিউব। প্রথম প্রথম এসব সমাধান করতে সময় বেশি লাগলেও ধীরে ধীরে আপনি অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন। এসব মিলাতে যত সময় কম লাগবে বুঝবেন আপনার আইকিউ লেভেল বেড়ে চলছে।


৩) মেডিটেশন করুনঃ---------------------

বিশেষজ্ঞদের মতে, মেডিটেশন বুদ্ধিমত্তা বাড়ানোর কার্যকর এক অস্ত্র। এটি মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে, ধৈর্য ধরতে শেখায়, মনোযোগ বাড়িয়ে তোলে। রাতে ঘুমানোর আগে প্রতিদিন ৩০ মিনিট মেডিটেশন করার চেষ্টা করুন।


৪) ব্যায়াম করুনঃ--------------------

বিখ্যাত সৃজনশীল লেখক Win Wenger এর মতে, হালকা ব্যায়াম আপনার বুদ্ধিমত্তা বাড়িয়ে তোলে। দিনের কিছু সময় বের করুন ব্যায়ামের জন্যে।
ব্যায়াম করার পরপরই মেডিটেশন করতে পারেন। এতে আপনার শরীরের পাশাপাশি প্রশান্তি ছড়িয়ে পড়বে মনেও।


৫)পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চত করুন:--------------

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে।
ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়।
 তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।



-খাদ্যতালিকা সাজিয়ে তুলুনঃ-------------------

আনন্দের কথা হচ্ছে এমন কিছু খাবার ও ফল আছে যা খেয়েও আমরা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে পারি। চলুন জেনে নেই সে সকল খাবার সম্পর্কে।-------------------------------


জাম:--------------

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন জাম,লিচু,স্ট্রবেরি,কালোজাম বা আঙ্গুরের মত ফল। ফলগুলোতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা ব্রেইনের কোষের অক্সিডেশন এবং ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করে।
অর্থাৎ ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ব্লু বেরীকে ব্রেইনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর খাবার বলে ধরা হয়, কেননা তা আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করে ও শেখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।



পাতা কপি ও পালং শাক:-----------------

পালং শাক ও পাতা কপিতে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা পেশী শক্তি ও স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়োমিত পাতা কপি বা পালং শাক খান তাদের স্মৃতি শক্তি যারা খায় না তাদের চেয়ে অনেক বেশি।



সামুদ্রিক মাছ:---------------

সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০% হচ্ছে ডি এইচ এ, যা সামুদ্রিক মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্রেনের বিভিন্ন কোষের মধ্যে সংবেদন আদান-প্রদান বাড়িয়ে দেয়।



বাদাম এবং বীজ দানা:---------------

বাদাম এবং বীজ দানা জাতীয় খাবারে রয়েছে ভিটামিন ই, ও একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট এর উৎস। বাদাম এবং বীজ দানার এ উপাদান সমূহ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আমন্ড বাদামও ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।



কফি:-------------------

প্রতিদিন সকালে এক কফি পান করুণ। কারণ দীর্ঘদিন কফি পান করেন এমন ১৪০০ লোকের উপর চালানো গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি পান করেন তাঁদের স্মৃতি ভ্রংশের রোগ অনেকটাই কম হয়।
এদের তুলনায় যারা দিনে দুই কাপ কফি পান করেন তাদের ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সে আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। ধারণা করা হয়,কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও এন্টি-অক্সিডেন্ট ব্রেইনের কোষগুলোকে সুরক্ষিত করে।



বিট এবং ব্রোকলি:----------------

বিট এবং ব্রোকলিও হতে পারে আপনার স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির আরেকটি হাতিয়ার। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ‘ভিটামিন কে’, যা মেধা ও স্মৃতি বর্ধক

আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে সম্পর্ক কায়েমের জন্য বুজ্রগানে দ্বীন শরীয়তের বিধানাবলি থেকে কতিপয় আমল বলে দিয়েছেন । সেগুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রত্যহিক জীবনে করতে থাকলে আল্লাহর সাথে সম্পর্কের সাথে তালিমে নূর পয়দা হবে ।

আমলী ও আখলাকি তারবিয়াত ----------

দ্বীনি শিক্ষার শিক্ষকের অবশ্যই আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক হতে হবে।


--------------------------------------------------------

% মু’ আল্লিম কে আমল আখলাক চাল চলন,; পোশাক পরিচ্ছদ ; আচার ব্যবহার ; হারাকাত সাকানাত;  লেনদেন ইত্যাদি সর্বাবস্থায় সুন্নতের পাবন্দ হতে হবে
% সর্বাবস্থায় অযুর উপর মুদাওয়ামাত করতে হবে।

% জিকির ফিকিরের অবস্থায় থাকতে হবে। 

% হালাল খেতে সচেষ্ট থাকতে হবে। হারাম ও নাজায়েজ থেকে দূরে থাকতে হবে। 

% সন্দেহ জনক কাজ ও খাদ্য থেকে বেঁচে থাকতে হবে। 

% বর্তমান পূতি গন্ধময় রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে হবে। 

% ইখলাস তাওয়াক্কুল ; রিজা ; তাসলিম; খোশ আখলাক ; মুতাহাম্মিলুল মিজাজ; বুরদবার ; কানে’ সাবের; শাকের; ইত্যাদি গুনে গুনাম্বিত হওয়ার চেষ্টা রত থাকতে হবে।

% কাম; ক্রোধ ; লোভ ; হিংসা ; অহংকার ; বখিলি ; রিয়া ; গিবত; কীনা; খোদ রাযী; ইত্যাদি খারাপ স্বভাব দূর করতে স্বচেস্ট থাকতে হবে। 

% পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর নফল নামাজ – ইশরাক ; চাশত ; আউয়াবিন; তাহাজ্জুদ মুদাওমাতের সাথে আদায় করতে হবে; 

% প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াত – সুরা ইয়াসিন; সুরা আর্রহমান ;  অয়াকিয়া ; সুরা মূলক ; ইত্যাদি সুরা গুলু পড়তে হবে;

% দৈনিক ধারাবাহিক ভাবে  খতমে কোরআনের  উদ্দেশ্যে কিছু  কিছু তিলাওয়াত অর্থ বুঝে পড়তে হবে ;

% প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতে কুরছি ; তাসবিহ ফাতেমি; পরতে হবে ; 

% সেই সাথে ফজর এবং  মাগরিবের পর  সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত ; সুরা বাকারার শেষ তিন আয়াত ; আল্লাহুম্মা আযিরনি মিনান নার  পড়তে হবে। 

% ফজরের পর এবং ঘুমের আগে আয়াতে কুরসি আর চার কুল পরে শরীর রে হাত বুলিয়ে নিতে হবে। 

% দৈনন্দিন তিন তাসবিহ অর্থাৎ — ইস্তিগফার ; দরুদ শরিফ ; কালিমায়ে তামযিদ   সুব হা নাল্লাহে অলহামদুলিল্লাহে অলা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর  ” 
[[আসর থেকে মাগরিবয়ের  মধ্যেকার  সময় টুকু তে এ আমল টি রাখা যায় ; অত্যন্ত ফজিলত ময় সময় ]] 

% ছালাতুত তাসবিহ স্মভব হলে প্রতি শুক্রবার ; না হলে মাসে একবার যে কোণ শুক্রবার রাতে পড়া অতি উত্তম একটি আমল ; 

% শুক্রবার দিনে সুরা কাহাফ পড়া । 

% সর্বদা বেশি বেশি ইস্তিগফার করতে থাকা; 

% দৈনিক একটি সময় নির্ধারণ করে নির্জনে বসে আল্লাহু আল্লাহু জিকির করা ; 

——————————————  
ইনশা আল্লাহ  উপরোল্লিখিত আমল ইখলাসের সহিত  করতে থাকলে  আল্লাহ পাকের সহিত  গভীর সম্পর্ক কায়েম হয়ে যাবে ।।


দৈনন্দিন জীবনের জন্য আত্যন্ত জরুরী দুআ ও যিকিরের অপূর্ব সমাহার বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো বই ‘হিসনুল মুসলিম’ (পিডিএফ) ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুন।

Tuesday, 14 November 2017

ঘর থেকে মশা এবং তেলাপোকা দূর করার পদ্ধতি ------------ কার্যকর হলে জানাবেন !!

তেলাপোকা” খুবই বিরক্তিকর, যন্ত্রণাদায়ক এক পোকার নাম। তেলাপোকা নেই এমন বাসা একটিও খুঁজে পাবেন না। প্রতিটি মানুষকে এই তেলাপোকার যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তেলাপোকা শুধু বিরক্তিকর নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
এটি খুবই নোংরা একটি পোকা যা আমাদের রান্নাঘরের জিনিসপত্রে হেঁটে বেড়ায় এবং জীবাণু ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। আর এই জীবাণু থেকে সৃষ্টি হয়ে নানা রোগের। বাজারে নানা প্রকার তেলাপোকা মারার ওষুধ কিনতে পাওয়া যায়।
কিন্তু এই ঔষুধ দিয়ে চিরদিনের জন্য তেলাপোকা দূর করার সম্ভব হয় না। খুব ছোট একটি কাজ করে আপনি চিরদিনের জন্য তেলাপোকার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আসুন জেনে নিই সেই ম্যাজিক্যাল উপায়টি।
যা যা লাগবে –
– ২০ গ্রাম বোরিক এসিড
– ১ টেবিল চামচ আটা
– পানি
যেভাবে তৈরি করবেন:
১। সমপরিমাণে বোরিক এসিড এবং আটা মিশিয়ে নিন। তারপর এতে পানি মিশিয়ে নিন। পানি অল্প অল্প করে মিশিয়ে নিন।
২। ভাল করে মিশিয়ে রুটির মত ডো তৈরি করে নিন। লক্ষ্য রাখবেন ডো যেন বেশি নরম বা শক্ত না হয়ে যায়।
৩। এই ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে নিন। সম্পূর্ণ ডোটি দিয়ে কয়েকটি বল তৈরি করে নিন।
৪। এবার ঘরের যেসব স্থানে তেলাপোকা বেশি দেখা যায় সেসব স্থানে আটার বলটি রেখে দিন।
৫। তিনদিন বা এক সপ্তাহের পর পরীক্ষা করে দেখুন তেলাপোকা মরে পড়ে আছে।
মূলত বোরিকের অ্যাসিডের উপাদান তেলাপোকার মৃত্যুর জন্য দায়ী। বোরিক অ্যাসিড তেলাপোকার মুখ আটকিয়ে দিয়ে থাকে। যার কারণে তেলোপোকা কিছু খেতে বা পান করতে পারে না। এক সময় এটি মারা যায়


মহিলাদের চুল কতটুকু রাখা এবং কাটা জায়েজ এবং ভ্রু প্লাক করার বিধান ------

মহিলাদের চুলের ক্ষেত্রে শরীয়তের মৌলিক নীতিমালা হলঃ 

-------------------------------------------------------------------------

১. মহিলারা চুল লম্বা রাখবে। 

দলিল ------হাদীস শরীফ থেকে জানা যায় যে, উম্মাহাতুল মুমিনীন (রাঃ) গণ চুল লম্বা রাখতেন।  ২, এ পরিমাণ খাটো করবে না যে, পুরুষের চুলের মতো হয়ে যায়। দলিল- হাদীস শরীফে পুরুষের সাদৃশ্য অবলম্বনকারিনী মহিলার প্রতি অভিসম্পাত করা হয়েছে। ৩. চুল কাটার ক্ষেত্রে বিজাতীয়দের অনুকরণ করবে না।  দলিল- কারণ হাদীসে বিজাতীয়দের অনুকরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে। 


--অতএব যে মহিলার চুল এত লম্বা যে, কিছু অংশ কাটলে পুরুষের চুলের সাথে সাদৃশ্য হবে না তার জন্য ঐ পরিমাণ কাটা জায়েয হবে। পক্ষান্তরে যার চুল তত লম্বা নয়; বরং অল্প কাটলেই কাঁধ সমান হয়ে যাবে এবং পুরুষের বাবরী চুলের মতো দেখা যাবে তার জন্য অল্প করেও কাটার অনুমতি নেই। 

তবে জটিল অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজনে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে চুল ছোট করা, এমনকি জরুরতবশতঃ কামানোরও অনুমতি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে চার আঙ্গুল পরিমাণ কাটা যাবে-এ কথা সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; বরং চুল বেশি বড় থাকলে যেমন কোমর সমান চুল থাকলে চার আঙ্গুলের বেশি পিঠের মাঝামাঝি করে কাটা জায়েয। তবে সর্বাবস্থায় ফ্যাশনের অনুকরণ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। 


উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে মহিলারা তাদের চুল খাটো করতে পারবে। এর জন্য সময়েরও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। 

আর কেউ নাজায়েয পরিমাণ কেটে ফেললে বা বিজাতীয় অনুকরণে চুল কেটে ছোট  করে ফেললে তাওবা ইস্তিগফার করতে হবে। 


[[[সহীহ বুখারী ২/৮৭৪; জামে তিরমিযী ১/১০৩; সহীহ মুসলিম ১/১৪৮; তাকমিলা ফাতহুল মুলহিম ১/৪৭২; 
আলমুফাসসাল ফী আহকামিল মারআতি ওয়াল বায়তিল মুসলিম ৩/৪০০; 
খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৭৭; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাদ্দুর ৪/২০৩;
 আলফাতাওয়াল মারআহ, শায়খ ইবনে বায পৃ. ১৬৫ আদ্দুররুল মুখতার ৬/৪১৬]]].----------------

  ভ্রূ প্লাক করার ক্ষেত্রে মূলনীতি 

-------------------------------------------------

 আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত।

 তিনি বলেন, “আল্লাহর অভিশাপ হোক সেই সব নারীদের উপর, যারা শরীরে উল্কি (ট্যাটু) অংকন করে এবং যারা করায়, এবং তাদের উপর (আল্লাহর অভিশাপ), যারা ভ্রু চেঁছে সরু (প্লাক) করে, যারা সৌন্দর্য মানসে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।” জনৈক মহিলা এ ব্যাপারে তার (ইবনে মাসউদের) কথার প্রতিবাদ করলে তিনি বলেন, “আমি কি তাকে অভিসম্পাত করব না, যাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন এবং তা আল্লাহর কিতাবে আছে? আল্লাহ বলেছেন, “রাসুল যে বিধান তোমাদেরকে দিয়েছেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে বিরত থাক।” (সুরা হাশরঃ ০৭) [সহীহ বুখারীঃ ৪৮৮৬] . 

আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। “আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

যে মহিলা পরচুলা লাগিয়ে দেয় এবং যে পরচুলা লাগাতে বলে, আর যে মহিলা অঙ্গ প্রত্যঙ্গে উল্কি অংকন করে ও অন্যকে উল্কি অংকণ করতে বলে, তাদেরকে অভিশাপ করেছেন।” [সহীহ বুখারীঃ ৫৯৩৭]


ক্রমাগত ও ধারাবাহিক আমলের মর্যাদা: & সৎআমলের উপর স্থায়ী ও অটল থাকার প্রভাব ও উপকারিতা:

ক্রমাগত ও ধারাবাহিক আমলের মর্যাদা:


ক্রমাগত আমল ও তার ধারাবাহিকতা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিকট উত্তম আমলের অন্তর্ভুক্ত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: “আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হল, যা নিয়মিতভাবে করে যাওয়া হয়, যদিও তা অল্প হয়।” (বুখারী-মুসলিম)



সৎআমলের উপর স্থায়ী ও অটল থাকার প্রভাব ও উপকারিতা:

আল্লাহ তায়ালা তাঁর সৎআমলের হেফাযতকারী বান্দাদেরকে বহুভাবে সম্মানিত ও উপকৃত করে থাকেন। যেমন:১। স্রষ্টার সাথে তার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ; যা তাকে অগাধ শক্তি, দৃঢ়তা, আল্লাহর সাথে নীবিড় সম্পর্ক ও তার উপর মহা আস্থা তৈরি করে দেয়। এমনকি তার দুঃখ-কষ্ট ও চিন্তা-ভাবনায় আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। যেমন: আল্লাহ তায়ালা বলেন-অর্থঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করবে আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা তালাক: ৩ )



২। অলসতা-উদাসীনতা হতে অন্তরকে ফিরিয়ে রেখে সৎআমলকে আঁকড়ে ধরার প্রতি অভ্যস্ত করা যেন ক্রমান্নয়ে তা সহজ হয়ে যায়। যেমন কথিত রয়েছে: “তুমি তোমার অন্তরকে যদি সৎআমলে পরিচালিত না কর, তবে সে আমাকে গুনাহর দিকে পরিচালিত করবে।”



৩। এ নীতি অবলম্বন হল আল্লাহর মুহাব্বাত ও অভিভাবকত্ব লাভের উপায়। যেমন হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন: “আমার বান্দা নফল ইবাদতসমূহ দ্বারা আমার নৈকট্য অর্জন করতেই থাকে, এমনকি তাকে আমি মুহাব্বাত করতে শুরু করি---।” (বুখারী)



৪। সৎআমলে অবিচল থাকা বিপদ-আপদে মুক্তির একটি কারণ। যেমন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কে উপদেশ দেন: “আল্লাহকে হেফযত কর তিনি তোমাকে হেফাযত করবেন, আল্লাহকে হেফাযত করত, তুমি তাঁকে তোমার সামনে পাবে; সুখে-শান্তিতে তাঁকে চেন। তিনি তোমাকে বিপদে চিনবেন।” (মুসনাদে আহমদ)



৫। সৎআমলে অবিচলতা অশ্লীলতা ও মন্দ আমল হতে বিরত রাখে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:অর্থ: “নিশ্চয়ই নামায অশ্লীলতা ও অন্যায় কাজ হতে বিরত রাখে।” (সূরা আনকাবূত: ৪৫ )



৬। সৎআমলে অবিচল থাকা গুনাহ-খাতা মিটে যাওয়ার একটি কারণ। যেমন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “ তোমাদের কারো দরজায় যদি একটি নদী থাকে, আর সে তাতে প্রতিদিন পাঁচবার করে গোসল করে, তবে তার দেহে কি কোন ময়লা অবশিষ্ট থাকবে? সাহাবাগণ বলেন: না, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: এমনই পাঁচ ওয়াক্ত নামায, আল্লাহ যার দ্বারা গুনাহ সমূহকে মিটিয়ে দেন।” (বুখারী-মুসলিম)



৭। সৎআমলে স্থায়ী ও অটল থাকা, উত্তম শেষ পরিণামের কারণ। যেমন: আল্লাহ বলেন:অর্থঃ “যারা আমার পথে চেষ্টা-সাধনা করবে অবশ্যই আমি তাদেরকে আমার পথ দেখিয়ে দিব, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎআমল কারীগণের সাথে আছেন।” (সূরা আনকাবূত: ৬৯)



৮। এটি কিয়ামতের দিন হিসাব সহজ হওয়া ও আল্লাহর ক্ষমা লাভের উপায়।



৯। এ নীতি মুনাফেকী হতে অন্তরের পরিশুদ্ধিতা ও জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণের একটি উপায়। যেমন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: “ যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন (ক্রমাগত) জামাআতের সাথে প্রথম তাকবীর পেয়ে নামায আদায় করবে তার জন্য দু’প্রকার মুক্তির ঘোষণা: (১) জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি ও (২) মুনাফেকী হতে মুক্তি (তিরমিযী-হাসান)



১০। এটি জান্নাতে প্রবেশের উপায়: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: “ যে ব্যক্তি কোন জিনিসের দু’প্রকার আল্লাহর রাস্তায় খরচ করল, তাকে জান্নাতের দরজাসমূহ হতে আহ্বান করা হবে। জান্নাতের রয়েছে আটটি দরজা: সুতরাং যে ব্যক্তি নামাযী তাকে নামাযের দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে, যে ব্যক্তি জিহাদী তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে, যে ব্যক্তি দান-খয়রাত ওয়ালা তাকে দান-খয়রাতের দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে এবং যে ব্যক্তি রোযাদার তাকে রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে।” (বুখারী-মুসলিম)


১১। যে ব্যক্তি নিয়মিত সৎআমল করে অতঃপর অসুস্থতা, সফর বা অনিচ্ছাকৃত ঘুমের কারণে যদি সে আমল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে তার জন্য সে আমলের সওয়াব লিখা হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: “বান্দা যখন অসুস্থ হয় বা সফর করে, তবে তার জন্য অনুরূপ সওয়াব লিখা হয় যা সে গৃহে অবস্থানরত অবস্থায় ও সুস্থ অবস্থায় করত।” (বুখারী)বং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: “ যে ব্যক্তির রাতে নামায ছিল কিন্তু তা হতে নিদ্রা তার উপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে আল্লাহ তার জন্য সে নামাযের সওয়াব লিখে দিবেন এবং তার সে নিদ্রা হবে তার জন্য সাদকা স্বরূপ। (নাসায়ী ও মুয়াত্তা মালেক-সহীহ)



লেখক: শাইখ আব্দুর রব আফফান, রিয়াদ, সউদী আরব।

Saturday, 11 November 2017

সারাদিনে কত কিছুই খাই। পান করি। তারপরও শরীরে শক্তি পাই না। শরীর দুর্বল দুর্বল লাগে। কাজেকর্মে উৎসাাহ আসে না। এত খাবার যায় কোথায়? খাবারের একটা প্রভাব শরীরে অনুভব করব না? সুফল ভোগ করব না? এসবের মূল কারণ বরকতহীনতা।

পুষ্টিকর সুন্নাহ!
------------------------




 নবীজি শিক্ষা দিয়ে গেছেন, আমরা যেন খাবারের পর, বরকতের দু‘আ করা করি।
الْكَافِرُ يَأْكُلُ فِي سَبْعَةِ أَمْعَاءٍ، وَالْمُؤْمِنُ يَأْكُلُ فِي مِعًى وَاحِدٍ
কাফের খাবার খায় সাতপেটে, মুমিন খাবার গ্রহণ করে একপেটে।
(ইবনে উমার রা.। মুসলিম)


মি‘আন (مِعًى) অর্থ নাড়িভুঁড়ি। কাফেরের খাবারে বরকত থাকে না। সেজন্য বলা হয়েছে, তার খাবার সাতটা ভুঁড়িতে চলে যায়। মুমিনের খাবার একটা পেটেই থাকে। কথাটা রূপকার্থে বলা হয়েছে। সব মুমিনের খাবারেও কিন্তু সমান বরকত হয় না। দু‘আ পড়া আর না-পড়ার কারণে বরকতেও তারতম্য এসে যায়। 


খাবারে বরকত আনতে হলে, খাবারের পর আল্লাহ তা‘আলার কাছে বরকতের দু‘আ করতে হবে। নবীজি এমনটাই শিখিয়ে গেছেন। শুধু তাই নয়, দুধ পান করার পরেও বরকতের দু‘আ করতে শিখিয়েছেন।


 ইবনে আব্বাস চমৎকার ভঙ্গিতে শিক্ষাটা তুলে ধরেছেন,-------
-একদিন আমি আর খালিদ বিন ওয়ালিদ নবীজির সাথে মুলাকাত করতে গেলাম, আম্মাজান মায়মুনার বাসায়। আপ্যায়নের জন্যে একপাত্র দুধ আনা হল। 

আমি বসেছি নবীজির ডানে। খালিদ বিন ওয়ালিদ বামে। নবীজি দুধ পান করলেন। আমাকে বললেন,
الشَّرْبَةُ لَكَ، فَإِنْ شِئْتَ آثَرْتَ بِهَا خَالِدًا


এবার পানের পালা (নিয়ম হিশেবে) তোমার। তবে তুমি চাইলে স্বার্থত্যগ (ঈসার) করে, পালাটা খালিদকে ছেড়ে দিতে পারো।
-আপনার মুখছোঁয়া অবশিষ্ট খাবারের ক্ষেত্রে আমি ঈসার করতে আগ্রহী নই (مَا كُنْتُ أُوثِرُ عَلَى سُؤْرِكَ أَحَدًا)। 


নবীজি তারপর মূল শিক্ষাটা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:
مَنْ أَطْعَمَهُ اللَّهُ الطَّعَامَ فَلْيَقُلْ
আল্লাহ তা‘আলা যাকে খাবার খাওয়ান, সে যেন (খাবারের পর) বলে,
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِنْهُ

আল্লাহুম্মা, এ-খাবারে আমাদেরকে বরকত দান করুন। এর চেয়েও উত্তম খাবার আমাদেরকে খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিন। 


নবীজি আরও বলেছেন,
وَمَنْ سَقَاهُ اللَّهُ لَبَنًا فَلْيَقُلْ
আল্লাহ তা‘আলা কাউকে দুধ পান করালে সে যেন বলে,
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَزِدْنَا مِنْهُ
আল্লাহুম্মা, এ দুধপানে আমাদেরকে বরকত দান করুন। বরকত বাড়িয়ে দিন।

.

নবীজি আমাদের শিক্ষক। শিক্ষকতার দায়িত্ব দিয়েই তাকে পাঠানো হয়েছে। দু’টি সুন্নাহ একসাথে পেয়ে গেছি।
১: খাবারের পরের সুন্নাহ।
২: দুধপান পরবর্তী সুন্নাহ।
উভয় সুন্নাতই বরকত বৃদ্ধিকারী। পাশাপাশি আল্লাহর যিকির। দুনিয়া ও আখেরাত। নবীজির প্রতিটি সুন্নাতেই দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জাহানের উপকার নিহিত থাকে। দু‘আ দু’টির প্রকাশ ভঙ্গিতে আল্লাহ তা‘আলার প্রতি কৃতজ্ঞতার একটা ভাবও ফুটে উঠেছে। শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতার পুরষ্কার কী হবে সেটা কুরআন কারীমেই আছে,
لَئِنْ شَكَرْتُمْ لأَزِيدَنَّكُمْ


.

এক: মেহমান আগে খাওয়া শুরু করবে, মেযবান পরে, এটা জরুরী নয়। নবীজি সা. আগে দুধ পান করেছেন।
দুই: পালাধর্মী খাবারে, একজন খাওয়ার পর ডানদিকের জনকে খেতে দেবে।

atik ullah.........................