Friday, 25 August 2017

ইসলামের দৃষ্টিতে একটি ছেলে ও মেয়ের এনগেইজ হওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে, বিবাহ। তাই বিয়ের আগে এনগেইজমেন্ট বলে কিছুকে ইসলাম সমর্থন করেনা।

সমাজে এনগেইজমেন্ট নামে আবার একটা অনুষ্ঠান  বানিয়ে নেয়া হয়েছে। 

“বিয়ের আগে- কিছু হারামে জড়ানোর পথ!”

 ইসলামের দৃষ্টিতে একটি ছেলে ও মেয়ের এনগেইজ হওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে, বিবাহ। তাই বিয়ের আগে এনগেইজমেন্ট বলে কিছুকে ইসলাম সমর্থন করেনা।


বরং বিয়েই হচ্ছে এনগেইজমেন্ট অনুষ্ঠান।
এনগেইজমেন্ট-এর পুরো রসমটি বিজাতীয়দের থেকে মুসলিম সমাজে অনুপ্রবেশ করেছে। যার ফলে সামাজিক ফিতনা ও সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।


> আংটি বিনিময় করা সরাসরী বিজাতীয়দের অনুসরণ।
রাসুল (সাঃ) বলেন "যে ব্যক্তি যে জাতির অনুসরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই দলভুক্ত । 

(আবু দাউদ-৪০৩১)


> আংটিকে নিদিষ্ট আঙ্গুলে পরা নিয়ম ও তার সাথে হৃদয়ের সম্পর্ক চিন্তা করা। আর শুধুমাত্র আংটির মাধ্যমে কোন সম্পর্ক স্থাপন হয় মনে করা স্পষ্ট ভ্রান্ত শিরকি আকিদা। কারণ আংটির কোন শক্তি নেই যে তা উভয়ের অন্তর বা হৃদয়ে প্রভাব রাখতে পারে! এ বিশ্বাস ঈমান ধ্বংসের কারণ হতে পারে।
বিয়ে করে ফেলুন! এরপরই বৈধ হতে পারে ফোনে কথা বলা, টেক্সট আদান-প্রদান বা চ্যাটিং, ঘুরতে যাওয়া বা দেখা করা। কি নোংরা চিন্তার লালনকারী আমরা যে একটি ছেলে আর মেয়েকে এনগেইজমেন্টের নামে একটা অসামাজিক কাজ করিয়ে পারিবারিকভাবে জ্বিনার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে!!
আল্লাহ আমাদের সকলকে একমাত্র ওহী ভিত্তিক জীবন গড়ার তাওফিক দিন।
বাতিলকে বাতিল বলে বর্জনের হিম্মত ও ধৈর্য দান করুন।
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন...



মালে নিসাব যখন থেকে হাতে আসবে বছর গণনা তখন থেকে ই শুরু করতে হবে। সে মাস রমজান না হলেও তাকে তার সম্পদ থেকে জাকাতের টাকা আলাদা করতে হবে।

আল্লাহ ভীতির ছোট্ট  একটি  ঘটনা -----------------
সুলতান মুহাম্মদ আল ফাতিহ- এর শাসনামলে জনৈক মুসলিমের সম্পদে যাকাত ফরজ হলো৷ 
লোকটি যাকাত প্রদান করার জন্য উপযুক্ত মানুষ খুঁজতে লাগল৷ কিন্তু সারা শহর খুঁজেও একজন গরিব মানুষ পেল না৷
ফলে যাকাতের অর্থ একটি থলেতে ভরে একটি গাছের সাথে ঝুলিয়ে দিল৷ আর তাতে লিখে দিল- 'ইহা যাকাতের অর্থ, আমি কোন উপযুক্ত লোক খুঁজে না পেয়ে এখানে ঝুলিয়ে দিলাম৷ কেউ যদি নিজকে উপযুক্ত মনে করেন তাহলে নিয়ে যাবেন'
গাছটি ছিল শহরের মাধ্যে৷ তবুও তিনমাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও কেউ থলেটা নিল না৷
কারণ, সেই শহরে যাকাত গ্রহণের মতো কোন দরিদ্র লোক ছিল না
ৃৃ----------------------
যাকাত ফরজ হওয়ার একটি শর্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হতে হবে এবং সেই সম্পদ পূর্ণ এক বছর থাকতে হবে ।
------------ বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করুন --
সেই মালে নিসাব যখন থেকে হাতে আসবে বছর গণনা তখন থেকে ই শুরু করতে হবে। সে মাস রমজান না হলেও তাকে তার সম্পদ থেকে জাকাতের টাকা আলাদা করতে হবে।

রিযিক বৃদ্ধি করার ৭ টি আমল -

রিযিক বৃদ্ধি করার ৭ টি আমল -

১/ তাকওয়া ও তাওয়াক্কুল অবলম্বন করা--------------

দলিল---
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন --
আর যে আল্লাহ কে ভয় করে তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন । এবং তিনি এমন উৎস থেকে তাকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট ! আল্লাহ তার উদ্দেশ্য পূর্ণ করবেন । নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন্য একটি সময় সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন । 
সুরা আত আলাক ২-৩

২/ তওবা ও ইস্তেগফার -------------

দলিল—
আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত , তিনি বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন --
যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তিগফার পড়বে আল্লাহ তার সব সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দিবেন ।সব দুশ্চিন্তা দূর করে দিবেন ।
এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিযিকের সংস্থান করে দিবেন।
আবু দাউদ ১৫২০

৩/ দরুদ শরিফ পাঠ করা -------------

দলিল---
তোফায়েল ইবনে উবাই ইবনে কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত । তিনি বলেন
একদা আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলাম ইয়া রাসুল আল্লাহ !
আমি আপনার উপর অধিক হারে দরুদ পড়তে চাই । অতএব আমার দোয়ার মধ্যে কতটুকু আপনার দরুদের জন্য রাখব ?
তিনি বললেন – তুমি যতটুকু চাও!
আমি বললাম এক চতুর্থাংশ ?
তিনি বললেন – তুমি যতটুকু চাও ! যদি এর বেশি পড় তোমার জন্য উত্তম হবে ।
আমি বললাম অর্ধেক ?
তিনি বললেন তুমি যতটুকু চাও । তবে যদি বেশি পড় তা তোমার জন্য উত্তম হবে।
আমি বললাম দুই তৃতীয়াংশ !
তিনি ঐ একই উত্তর দিলেন।
অতপর আমি দোয়ার পুরুটাই শুধু দরুদ শরিফ রাখব ।
তিনি বললেন তা তোমার ঝামেলা ও প্রয়োজনের জন্য যথেষ্ট হবে। তোমার গোনাহ ক্ষমা করা হবে ।
তিরমিযি -২৬৪৫

৪/ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা --------------------

দলিল--- আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন
বল! আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন ।
আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম রিযিক দাতা ।
সুরা আস সাবা ৩৯

৫/ আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা ----------

দলিল – মহান আল্লাহ বলেছেন ;
আর যখন তোমাদের রব ঘোষণা দিলেন ! যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর ;তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দিব। আর যদি অকৃতজ্ঞ হও আমার আযাব বড় কঠিন ।
সুরা ইব্রাহিম ০৭

৬/ অভাবের সময় আল্লাহ মুখি হওয়া এবং তাঁর কাছে দোয়া করা -----------

দলিল – আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন –
আর তোমাদের রব বলেছেন তোমরা আমাকে ডাক ! আমি তোমাদের ডাকের সাড়া দিব !
সুরা ম’মিন ৬০

৭/ বিয়ে করা ----------

দলিল – আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন –
আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী পুরুষ ও সৎ কর্মশীল দাস দাসী দের বিয়ে দিয়ে দাও ।
তারা অভাবি হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাব দূর করবেন ।আল্লাহ প্রাচুর্যময় মহাজ্ঞানী ।
সুরা আন নুর ৩২

ভূমিকম্পের কারণে সারা পৃথিবী কেঁপে উঠবে। আর সমস্ত বস্তু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। এই অবস্থা তখন হবে, যখন শিঙ্গায় প্রথমবার ফুৎকার করা হবে।

সূরা আয্-যিলযাল:

   সূরাটি  মাক্কী ও মাদানী হওয়ার ব্যাপারে উলামাগণের মাঝে মতভেদ রয়েছে।*
এই সূরার ফযীলতে বেশ কয়েকটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

 إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا
অর্থ - পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে। 
অর্থাৎ,  ভূমিকম্পের কারণে সারা পৃথিবী কেঁপে উঠবে। আর সমস্ত বস্তু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। এই অবস্থা তখন হবে, যখন শিঙ্গায় প্রথমবার ফুৎকার করা হবে।

وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا
অর্থ - এবং পৃথিবী যখন তার ভারসমূহ বের করে দেবে, 
 মাটির  নিচে যত লোক দাফন আছে, তাদেরকে পৃথিবীর ভার বা বোঝ বলা হয়েছে। 
মাটি তাদেরকে কিয়ামতের দিন বের করে উপরে ফেলবে।
 অর্থাৎ, আল্লাহর হুকুমে সকলে জীবিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। আর এরূপ হবে শিঙ্গায় দ্বিতীয় ফুৎকারের পর। অনুরূপভাবে যাবতীয় খনিজ পদার্থ ও গুপ্ত ধনসমূহও বাহির হয়ে পড়বে।


وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا
 অর্থ - এবং মানুষ বলবে, ‘এর কি হল?’
অর্থাৎ, তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে বলবে, ''এর কি হয়ে গেল? এ (পৃথিবী) কেন এমনভাবে কাঁপছে এবং খনিজ-সম্পদসমূহ বাইরে বের করে ফেলছে?


يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا
অর্থ - সেদিন পৃথিবী তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে। 
 এটা হল শর্তের জওয়াব। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী (সাঃ) এই আয়াত পাঠ করলেন এবং বললেন,
 তোমরা জান, পৃথিবীর বৃত্তান্ত কি?’’ 
সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলই ভাল জানেন। 
নবী (সাঃ) বললেন, ‘‘তার বৃত্তান্ত এই যে, নর অথবা নারী এ মাটির উপর যা কিছু করছে এই মাটি তার সাক্ষী দেবে। আর বলবে, অমুক অমুক ব্যক্তি অমুক অমুক দিনে অমুক অমুক কর্ম করেছে।
(তিরমিযী কিয়ামতের বিবরণ ও সূরা যিলযালের তাফসীর পরিচ্ছেদ,
 মুসনাদে আহমদ ২/৩৭৪ নং)


بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا
অর্থ - কারণ তোমার প্রতিপালক তাকে আদেশ করবেন। 
 অর্থাৎ, মাটিকে কথা বলার শক্তি আল্লাহই সেদিন দান করবেন। 
অতএব এটা কোন আশ্চর্যজনক কথা নয়। যেমন সেদিন মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আল্লাহ বাকশক্তি দান করবেন, ঠিক মাটিও আল্লাহর হুকুমে কথা বলবে।
[[ জড়পদার্থের কথা বা শব্দ ধরে রাখা 
এবং প্রয়োজনে তা শুনিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তো বিজ্ঞানও প্রমাণ করেছে। অতএব সৃষ্টিকর্তার আদেশে মাটির কথা বলার ব্যাপারটা কোন আশ্চর্যের নয়। ]] https://www.facebook.com/Ekra.Community.Garden


يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ
অর্থ - সেদিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বের হবে,[1] যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়। 
 يَصْدُر শব্দের অর্থ হল, বের হবে, ফিরে যাবে। 
অর্থাৎ, কবর থেকে বের হয়ে হিসাবের ময়দানের দিকে অথবা হিসাব শেষে জান্নাত অথবা জাহান্নামের দিকে ফিরে যাবে।
 أشتَاتاশব্দের অর্থ হল, ভিন্ন ভিন্ন; অর্থাৎ, দলে দলে।
 কিছু লোক ভয়শূন্য হবে, কিছু ভয়ে ভীত হবে। কিছু লোকের রঙ গৌরবর্ণের হবে; যেমন জান্নাতীদের হবে। আবার কিছু লোকের রঙ কাল বর্ণের হবে; যা তাদের জাহান্নামী হওয়ার নিদর্শন হবে। কিছু লোক ডান দিকের অভিমুখী হবে। আবার অনেকে বাম দিকের অভিমুখী হবে। অথবা এই বিভিন্নতা ধর্ম, মযহাব ও আমল এবং কর্ম অনুপাতে হবে।
এটি يَصدُر ক্রিয়ার সাথে সম্বদ্ধ। অথবা এর সম্বন্ধ أوحَى لَها -এর সাথে। অর্থাৎ, মাটি (সেদিন) নিজের বৃত্তান্ত এ জন্য বর্ণনা করবে; যাতে মানুষকে নিজ আমল দেখানো হয়।

فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ
 সুতরাং কেউ অণু পরিমাণ ভালো কাজ করলে, সে তা দেখতে পাবে।
 অতএব সে তাতে আনন্দিত হবে।

وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ
অর্থ - এবং কেউ অণু পরিমাণ মন্দ কাজ করলে, তাও সে দেখতে পাবে।
অর্থাৎ  সে তার উপর অত্যন্ত লজ্জিত ও উদ্বিগ্ন হবে। 
ذَرَّةٍ    কোন কোন উলামার নিকট পিঁপড়ে হতেও ছোট বস্তুকে বোঝায়। 
কেউ কেউ বলেন, মানুষ মাটিতে হাত মেরে তারপর হাতে যে মাটি অবশিষ্ট থাকে, সেটাকেই  ذَرَّةٍ  বলা হয়। 

কিছু  সংখ্যক আলেম বলেন, 
ঘরের দরজা বা জানালার ছিদ্র দিয়ে সূর্যের ছটার সাথে যে ধূলিকণা দেখা যায়, সেটাই হল  ذَرَّةٍ ।

কিন্তু ইমাম শাওকানী (রঃ) প্রথম অর্থটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। 
[[বস্তুর সবচেয়ে ছোট অংশ বুঝাতে বাংলায়  ذَرَّةٍ   যার্রাহ কে ‘অণু পরিমাণ’ বলা হয়েছে।]]

ইমাম মুক্বাতিল (রঃ) বলেন, এই সূরাটি সেই দুই ব্যক্তি সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যাদের একজন ভিখারীকে অল্প কিছু সদকা করতে ইতস্ততঃবোধ করত। 
আর অপরজন ছোট ছোট পাপ করতে কোন প্রকার ভয় অনুভব করত না।
(ফাতহুল ক্বাদীর

Look me--

""নিরবতা একটি মাধুর্য,,শান্ত শীতল বহমান নদীর মত----

""নিরবতা একটি মাধুর্য,,শান্ত শীতল বহমান নদীর মত---- 
- আর তখন ই এ মাধুর্য প্রস্ফুটিত দৃশ্যমান হবে যখন নিন্মের কথা কার্যকলাপ থেকে জবানকে হেফাযত করা যাবে।
----- নিন্মে 20টি জবানের দ্বারা সংঘটিত পাপ বিভিন্ন হাদিস শরীফ থেকে সংগ্রহ করে বুজুর্গানে দ্বীন একত্রে পেশ করেছেন। উনারা বলেছেন দুনিয়ার আপদ বিপদ এবং আখিরাতের পাপ প্রায় সকল ই একমাত্র জবানের দ্বারাই সৃষ্টি হয়। 
এ জবান ই জাহান্নামে দাখিল করানোর জন্য যথেষ্ট।
এখানে শুধু সংখাটা বর্ননা করা হল ,, প্রত্যেকটি হাদিসের দলিল এবং এর শাস্তির দলিল উল্লেখ রয়েছে মাওলানা আশরাফ আলি থানভি রাহ উনার কিতাব ""এহইয়াওল ওলুমে"" ।। 

https://www.facebook.com/pg/Ekra.Community.Garden/photos/?tab=album&album_id=1217452001631012

  #জবানের পাপ-----
1-যে কথা দুনিয়া ও আখিরাতে কোন লাভ নাই এরুপ বৃথা কথা বলা।
2-আবশ্যক পরিমান অপেক্ষা বেশি কথা বলা।
3-অনর্থক গল্প করা যেমন অমুক বাড়ীর বৌ কন্যা এমন , অমুক এমন লিখেছে, অমুক রাজা অত্যাচারী ,,ইত্যাদি
4-অনর্থক তর্ক বিতর্ক করা।
5-ঝগড়া কলহ করা।
6-নিজের বড়ত্ব দেখানোর জন্য বানিয়ে বানিয়ে বড়াই করে করে কথা বলা।
7-ফাহেশা কথা বলা,,গালাগালি করা।
8- কটু বা কর্কশ কথা বলা বা কাউকে শক্ত কথা বলা।
9-কাউকেও লানত করা অভিশাপ দেয়া বা বদ দোয়া করা।
10- শরীয়তের বরখেলাপ অনুযায়ী গীত গান করা।
11-বেশি হাসি তামাশা করা।
12-ঠাট্টা বিদ্রুপ করা।
13-কারো গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়া। 14-মিথ্যা ওয়াদা করা।
15-মিথ্যা কথা বলা।
16-গীবত করা।
17-চোগলখোরী করা।
18-হক না হক বিচার না করে যে সমাজে যা যায় তাই বলা।
19- উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে সামনে কারো তারিফ করা।
20-কথা বলা কালিন বেখেয়ালে যে সকল গোনাহের কথা বলা হয় তা খেয়াল করে সচেতনভাবে পরিত্যগ না করা।
যেমন-উপরে খোদা নিচে আপনি,এটা স্পস্ট শিরক করা হয়।
অনেক সময় বেখেয়ালে ইয়া রাসুলাল্লাহ বলে স্বীয় ইচ্ছা ব্যক্ত করে
অথচ এখানে আল্লাহ তায়ালার নিকট স্বীয় আকাঙ্খা বলা উচিত।এটাও শিরক হয়।
- আবার অনেক ক্ষেত্রে জামানাকে খারাপ বলে,, বলে থাকে কি খারাপ জামানা আসল।
অথচ হাদিস শরীফে জামানাকে খারাপ বলাতে নিশেধাজ্ঞা রয়েছে।
----
#জবানকে হেফাযতের গুরুত্ববহ একটি হাদিস উল্লেখ করছি-
। -হযরত ওকবা ইবনে আমের রাদিআল্লাহু আনহু বলেন একদা আমি রাসুলের খিদমতে হাযির হয়ে আরয করলাম হুযুর নাযাত হাসেল করার উপায় কি?
প্রিয় নবী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম বললেন জবানকে বশে রাখবে , নিজালয়ে থাকবে , বিনা জরুরতে বাহিরে যাবে না। এবং অনবরত গোনাহের জন্য কাঁদতে থাকবে।
(আহমেদ তিরমিযি)


**হযরত রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম এর প্রতি মোহাব্বাত ঈমানের অঙ্গ----

**হযরত রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম এর প্রতি মোহাব্বাত ঈমানের অঙ্গ------
۔۔۔۔۔بسم اللہ الرحمن الرحیم۔۔۔۔۔
#আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্নিত,রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
"ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রান , তোমাদের কেউ ততক্ষন পর্যন্ত মোমিন হতে পারবে না যতক্ষন না আমি তার নিকট তার পিতা-মাতা ও সন্তান-সন্ততি হতে অধিক প্রিয় না হই।
--অনুরুপ হাদিস হযরত আনাস রাদিআল্লাহু আনহু হতেও বর্নিত রয়েছে।

-#হাদিসের মর্মার্থ---
-যদিও সকল নবী রাসুলগনের প্রতি ভালবাসা পোষন ঈমানের অঙ্গ
তবুও এখানে বিশেষ ভাবে মুসলিম মিল্লাতের নেতা এবং সকল নবী রাসুলের নেতা শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ এর প্রতি ভালবাসা খাছ বা নির্দিষ্ট।

--উক্ত হাদিসে পবিত্র সত্তা আল্লাহ তায়ালার কছম দিয়ে বক্তব্যের গুরুত্ব অধিক বুঝিয়েছেন যে,কেউ ঈমানদার তথা পূর্ন ঈমানদার হতে পারবে না রাসুলের প্রতি মোহাব্বত না থাকলে।
--দুনিয়ার সকল কিছুর ভালবাসার চেয়ে পিতা মাতা সন্তানের প্রতি ভালবাসা বেশি।
এ হাদিসের অনুকূলে যতগুলো হাদিস বর্নিত আছে সবখানে পিতা পুত্রের উল্লেখ করে বলা হয়েছে।
--এ ধরনের সম্পর্কের অধিক ভালবাসার চেয়ে রাসুলের প্রতি ভালবাসাটা অধিক হতে হবে।
-- অপর এক হাদিসে পরিবার ও সম্পদের চেয়ে বেশি মোহাব্বতের কথা বলা আছে।

-#মোহাব্বত কি!
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম রাঃ কর্তৃক বর্নিত হাদিসে এসেছে--
একদা হযরত ওমর রাদিআল্লাহু আনহু বললেন -হে আল্লাহর রাসুল আপনি আমার কাছে আমার জীবন ছাড়া আর সব কিছু থেকে অধিক প্রিয়।
তখন রাসুল সাঃ বললেন- সে সত্তার কছম যার হাতে আমার প্রান "শুধু এইটুকু যথেষ্ট নয়"
-তখন ওমর রাঃ বললেন আল্লাহর শপথ নিশ্চয় ই এখন আপনি আমার কাছে আমার জীবনের চেয়ে বেশি প্রিয়।
জবাবে রাসুলুল্লাহ সাঃ বললেন - হে উমর এতক্ষনে তুমি সঠিক পদক্ষেপ নিলে।

---উক্ত আলোচনার সারকথা;;-
এ ধরনের ভালবাসা নিছক মহত্তের বিশ্বাস থেকে উৎসারিত নয়।
যদি দুনিয়াবী প্রিয় কিছু হারানোর বেদনার চেয়ে রাসুল সাঃ এর সম্ভাব্য সাক্ষাত হারানোর বেদনা অধিক পিড়াদায়ক না হয় তবে বুঝতে হবে রাসুলের মোহাব্বত অন্তরে নেই।
আর এ সাক্ষাত লাভের মাধ্যম তাঁর অনুস্বরনের মাঝেই।

#এ মর্মে
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন--
قل ان کنتم تحبون اللہ فاتبونی یحببکم اللہ۔۔۔۔۔
অর্থ- বলুন (হে রাসুল) যদি তোমরা আল্লাহ কে ভালবাস তবে আমার অনুস্বরন কর, তবে আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন;--

--সূরাতুল সিজদার এক আয়াতে এসেছে---
---অর্থ- এবং আমি তাদের মধ্য থেকে নেতা মনোনিত করেছিলাম যারা আমার নির্দেশ অনুস্বরনে পথ প্রদর্শন করত। যখন তারা ধৈর্য ধারন করেছিল তখন তারা ছিল আমার নির্দেশাবলিতে ছিল দৃঢ় বিশ্বাসী।

#আলোচনা সংকলন
ফাতহুল বারী
কিতাবুল ঈমান,,,,,,

https://www.facebook.com/Ekra.Community.Garden/photos/a.1217452001631012.1073741830.1216438365065709/1226577954051750/?type=3&theater

আল কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেন অর্থ হে নারী তোমরা তোমাদের ঘরে স্থিতি গ্রহন করো এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের সময়ের মত প্রদর্শন করে বেড়িও না।।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

জাহেলি যুগের মেয়েদের চরিত্র ছিল উচ্ছৃঙ্খলতা ও পুরুষদের আকর্ষন সৃষ্টির দক্ষতা প্রদর্শন করা।।

আল কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষনা করেন
অর্থ হে নারী তোমরা তোমাদের ঘরে স্থিতি গ্রহন করো এবং প্রাচীন জাহেলিয়াতের সময়ের মত প্রদর্শন করে বেড়িও না।।

তাফসীরবীদগন এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন
1 মেয়েরা তখন বাইরে বের হয়ে পুরুষদের সংগে পাশাপাশি ও ভিরের মধ্যে চলত।
2 মেয়েরা তখন মাথায় ওড়না রাখত কিন্তু গলার হাড় কানের বালা গলা গ্রীবা উম্মুক্ত থাকতো ।
3 মেয়েরা তখন লীলাময়ী ভঙ্গিতে চলাফেরা করত।।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম বলেছেন
যেসব মেয়ে কাপড় পড়েও উলঙ্গ ,পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট এবং পুরুষদের ও আকৃষ্টকারী তারা জাহান্নামী ,তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের সুঘ্রান ও পাবে না।।

অপর হাদীসের বানী
যে লোক অপর যে জাতীর সাথে সাদৃশ্য রাখবে সে তাদের মধ্যেই গন্য হবে।।

মেয়েদের চলাফিরা কথাবার্তায় গাম্ভির্য এবং দৃঢ়তা থাকতে হবে ।এমন কি মেয়েদের কন্ঠস্বরকেও আকর্ষনীয় করা চলবে না।




এ মর্মে আল্লাহ তায়ালা সূরা আহযাবে বলেছেন
অর্থ তোমরা নিন্ম ও নম্র কন্ঠস্বরে কথা বলবে না , বললে অন্তরে রোগ সম্পন্ন ব্যক্তি আকৃষ্ট লালায়িত হয়ে পড়বেhttps://www.facebook.com/pg/Ekra.Community.Garden/

মেয়েদের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পর্দার সঙ্গে সঙ্গে লুকায়িত সৌন্দর্যের ও পর্দা ফরজ
এ মর্মে কোরআনের আয়াত দেখুন আল্লাহ তায়ালা বলেন
অর্থ তোমরা মাটিতে পা শক্তভাবে ফেলে চলবে না কেননা তা হলে যে রুপ সৌন্দর্য অলংকার তারা লুকিয়ে রেখেছে তা পুরুষরা জেনে যাবে।।

এ আয়াতের হুকুমাত অনুযায়ী সাবধানতার লক্ষে মেয়েদের চুরি নুপুর ইত্যাদি আওয়াজের অলংকার বোরখার ভিতরেও পড়া নাজায়েজ হারাম।।

সুগন্ধিও মেয়েদের জন্য হারাম
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লাম ইরশাদ করেছেন
মেয়েলোক আতর সুগন্ধি মেখে সভা মজলিসে উপস্থিত হলে সে জেনাকারী ।।

কিন্তু মেয়েরা অবরোধবাসী নয়।
জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে ইসলামের নীতি ভারসাম্যপূর্ন।
এত সকল বিধি নিশেধ মেনে চলে মেয়েদের ঘড় থেকে বাইরে যাওয়ার অনুমতি আছে

রাসুল সাঃ উনার বিবি সাওদা রাঃ কে বলেছিলেন
আল্লাহ তোমাদের অনুমতি দিয়েছেন তোমরা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পার।।