Friday, 8 September 2017
Thursday, 7 September 2017
যে সাত শ্রেণির মানুষকে কবরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না –
প্রথমে আসবে শহিদদের নাম।
রাসুলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,শহিদদেরকে কবরে প্রশ্ন করা হবে না। কেননা মাথায় তরবারির আঘাত কবরের বিপদ হতে কম নয়। যদি তার অন্তরে আল্লাহর ভয় না থেকে মুনাফেকি থাকতো তাহলে সে তরবারির ভয়ে পালিয়ে যেতে পারতো। কিন্তু সে এমনটি করেনি। কাজেই প্রমাণিত হলো, সে তার ঈমানের ক্ষেত্রে সত্যিই মুখলিস বা নিষ্ঠাবান ছিলো।
দ্বিতীয় ব্যক্তি হলো,
সীমান্তরক্ষী সৈনিক; যাকে প্রতিনিয়ত শত্রুদলের সঙ্গে সংগ্রাম ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যেতে হয়। এ ব্যক্তির আলোচনা কুরআনে কারিমেও এসেছে, হাদিসে রাসুলের মাঝেও এসেছে। যেমন আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন,
يَاأَيُّهَاالَّذِينَآمَنُو
তৃতীয় ব্যক্তি হলো,
যিনি মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, কেননা সহিহ হাদিসের ভাষ্যমতে সেও শহিদদের মিছিলের একজন।
চতুর্থ ব্যক্তি হলো,
আপাদমস্তক আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর সত্যনিষ্ঠ আস্থা ও বিশ্বাসের অধিকারী সত্যবাদী সিদ্দিক। যাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কোথাও মিথ্যার লেশমাত্র নেই। নবিদের পরই তাঁদের স্থান। ইমাম তিরমিযি ও ইমাম কুরতুবি [রহ.] এভাবে সুস্পষ্ট বর্ণনা করেছেন। উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে অকাট্যভাবে প্রতিভাত হয় যে, আল্লাহর প্রেরীত সকল নবি রাসুলও কবরে সুওয়াল জাওয়াবের সম্মুখীন হবেন না। কেননা তাঁদের স্থান তো সিদ্দিক থেকে কত সহস্র ঊর্ধ্বে।
পঞ্চম ব্যক্তি হলো,
অপ্রাপ্ত বয়সে কোনো শিশু মারা গেলে তাকে সুওয়ালের সম্মুখীন হতে হবে না। প্রখ্যাত আকাইদবিদ আল্লামা নাসাফি [রহ.] দৃঢ়তার সঙ্গে বিষয়টি ব্যক্ত করেছেন। ইমাম নববি [রহ.]ও অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইবনে সালাহ [রহ.] বলেন, শিশু মারা গেলে তাকে কালিমায়ে শাহাদাতের তালকিন করার দরকার নেই।
আর পাগল ও বোকা লোকদের কবরে সুওয়াল জওয়াব করা হবে কিনা এ বিষয়ে ইমাম ফাকেহানি [রহ.] মৌনতা অবলম্বন করেছেন।
তদ্রুপ যে ব্যক্তি দুই নবির পৃথিবীতে আগমনের মধ্যবর্তী যুগে মারা গেছেন, তাকেও কবরে সুওয়াল করা হবে কিনা? এ বিষয়েও কোনো মত প্রকাশ করেননি।
রওযা নামক কিতাবে এ বর্ণনা এসেছে, যে ব্যক্তি শরিয়তের দৃষ্টিতে মুকাল্লাফ
[যার ওপর শরিয়তের হুকুম-আহকাম বর্তিত হয়] বা তার সমগোত্রীয়, একমাত্র তাকে সুওয়াল করা হবে।
এছাড়া অন্য কাউকে নয়।
ষষ্ঠ ব্যক্তি হলো,
ওই ব্যক্তি যে জুমার দিনে বা রাতে মারা যাবে তাকেও কবরে সুওয়াল করা হবে না। নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমার ফজিলত সম্পর্কিত একটি হাদিসে তা উল্লেখ করেছেন।উক্ত হাদিসটিকে ইমাম তিরমিযি ও ইমাম বাইহাকি [রহ.] হাসান স্তরের হাদিস রূপে অভিহিত করেছেন এবং বিভিন্ন সনদে তার স্বপ্ন শাহিদ রেওয়ায়েতও পেশ করেছেন।
সপ্তম ব্যক্তি হলো,
যে প্রতি রাতে আল্লাহর রহমত প্রাপ্তির প্রত্যাশায় সুরা তাবারাকাল্লাযি তিলাওয়াত করবে।
Wednesday, 6 September 2017
জীবনের সাত শিক্ষা:
টনি ব্লেয়ার [কোলবাই কলেজের ২০১২ সালের সমাবর্তনে তিনি এই বক্তব্য দেন...................
আমার জীবন থেকে শেখা সাতটি শিক্ষার কথা তোমাদের বলতে যাচ্ছি।
তোমরা ইচ্ছা করলে এই শিক্ষাগুলো গ্রহণ করতে পারো, আবার নাও পারো। এগুলোর মধ্যে প্রথম শিক্ষাটি সরাসরি তোমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কারণ, তোমরা এখনো এই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা গ্রহণ করছ।
প্রথম শিক্ষা
বাঁচতে হলে শিখতে হবে। কখনো শেখা থামিয়ো না। সফল ব্যক্তিরা কখনো নির্বিঘ্ন খ্যাতি ও সৌভাগ্যের জন্য সফল হন না, বরং তাঁরা সফল হন ভালো কিছু করার অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা ও অপরিসীম কৌতূহলের জন্য। তাঁরা আত্মোন্নয়নের পথে বিরতিহীন নাবিক। তাই ব্যর্থতার ভয়ে ভীত হয়ো না। ভীত হও চেষ্টাহীন হতে।দ্বিতীয় শিক্ষা
মুক্তমনা হও। আমি মনে করি, বর্তমান সময়ে মুক্তমনা হওয়াটা ডান ও বাঁয়ের পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। আমি পৃথিবীজুড়েই এই পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্য দেখেছি উদারমনা ও অনুদারমনা ব্যক্তিদের মধ্যে। তাই আমার উপদেশ, বিভিন্ন জাতি, বর্ণ, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির ব্যাপারে দিলখোলা হও। কারণ, এই জিনিসগুলোই ইতিহাসের মধ্যে বিভক্তি এনেছে। তবে মুক্তমনা ব্যক্তিরা এসব উতরে যেতে পারে।তৃতীয় শিক্ষা
ভালো কিছু দিলেই ভালো কিছু পাবে। অন্যের সেবা করার চেয়ে অধিকতর সম্মানজনক আর কিছুই নেই। কারণ, এটিই তোমাকে সবচেয়ে বেশি আত্মতৃপ্তি দেয়। সমব্যথী হতে পারাটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ উচ্চাকাঙ্ক্ষা। তাই শুধুই প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়ো না, প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনের কারণও খোঁজো। তোমার সামনে বেছে নেওয়ার অনেক কিছুই আছে।চতুর্থ শিক্ষা
পরিবার, বন্ধুত্ব ও অন্যান্য ব্যাপারে গুরুত্ব দাও। তোমার আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুদের যত্ন নাও, ভালোবাসো। কারণ, পরিবার থেকে তুমি তোমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা গ্রহণ করেছ।পঞ্চম শিক্ষা
নেতা হও, অনুসারী হয়ো না। সর্বোপরি একজন কেজো মানুষ হও, সমালোচক হয়ো না। মানুষের অগ্রগতি কখনোই বাচাল, অভিযোগকারী কিংবা হতাশাবাদীদের মাধ্যমে নির্মিত হয় না। অগ্রগতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায় পরিবর্তনকারীদের সাহসের মাধ্যমে। এই সাহস মানে ভয়ের অনুপস্থিতি নয়, বরং ভয়কে জয় করাই সাহস। আমার দেখা প্রায় সব কটি নেতার মধ্যেই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সন্দেহ, অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা ও আত্মবিশ্বাসের চূড়ান্ত অভাব ছিল। কিন্তু তাঁরা সেসব জয় করতে পেরেছেন বলেই নেতা হতে পেরেছেন।ষষ্ঠ শিক্ষা
আজকের পৃথিবী আগের তুলনায় অনেক বেশি যোগাযোগনির্ভর। এখানে মুগ্ধ করার মতো ও আন্দোলিত করার মতো অনেক কিছুই আছে। সুতরাং, এখনই সময় এই পৃথিবীকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখার। এই পৃথিবী হাত বাড়িয়ে আছে অনেক রোমাঞ্চ আর সম্ভাবনা নিয়ে। তাই আমি বলব, এই পৃথিবীর সুবিধাগুলো লুফে নাও। দেখো এই বিশ্বকে, দেখো এর সম্ভাবনাগুলোকে।সপ্তম শিক্ষা
এটা নজিরবিহীন সুযোগের এক অভাবনীয় সময়। এটা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলারও সময়। তবে এই চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ গ্রহণ করতে গিয়ে কেবল মুনাফার দিকটাই ভেবো না। কারণ, জীবনে শুধু মুনাফাই মুখ্য নয়, আমাদের জীবনযাপন নির্ভর করে কিছু মূল্যবোধের ওপর। এই মূল্যবোধগুলো হচ্ছে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও প্রতিটি ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গের সমতা। অতএব, তোমাদের জন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে, আশাবাদী হও। প্রতিটি সকালে ঘুম থেকে জেগে ওঠো একেকটি লক্ষ্য নিয়ে। কারণ, পৃথিবী তোমার কাছে উন্মুক্তই আছে, যদি তুমি তার কাছে নিজেকে মেলে ধরতে পারো।
ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত
বেশি লাগবে না।ছোট একটা মোমবাতি জালিয়ে ৫ টা মিনিট তার উপরেই হাতটা রাখো।পারবে? পারবে না। তাহলে তুমি অবশ্যই ঘোরের মধ্যে আছো,অসুস্থ হয়ে গেছো বা পাগল হয়ে গেছো,না হলে কিভাবে জাহান্নামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছো? জেনে রাখো,তোমার চিকিৎসা দরকার,রুহানি চিকিৎসা। .
এমন কেউ কি আছে যে তোমাকে মৃত্যু থেকে ফেরাতে পারবে? এমন কেউ কি আছে, যে তোমার হয়ে জাহান্মামে যেতে রাজি হবে? ঠিকাছে,অন্তত এমন একজনকে তো দেখাও যে কিনা তোমার সব গুনাহ ঝরিয়ে দিবেন!.আমার আল্লাহর কসম!নেই, এমন কেউ নেই আল্লাহ ছাড়া। তাহলে কেন একের পর এক গুনাহের সাগরে ঢেউয়ের ছন্দে তলিয়ে যাচ্ছো?.আল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়,তার চেয়ে জালেম আর কে? আমি অপরাধীদের শাস্তি দেব।(সূরা সেজদাহ,আয়াতঃ ২২)."যে কেউ আল্লাহ ও রাসূলের অবাধ্যতা করে এবং তার সীমা অতিক্রম করে তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন।সে সেখানে থাকবে চিরকাল থাকবে।তার জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি" (সূরা আন নিসা, আয়াতঃ ১৪)."আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হয়ে গেছে।আল্লাহ তার প্রতিশ্রুতি খেলাফ করবেন না।কিন্তু অধিকাংশ লোক জানে না "(সূরা আর রুম, আয়াতঃ ৬).বেশি লাগবে না।ছোট একটা মোমবাতি জালিয়ে ৫ টা মিনিট তার উপরেই হাতটা রাখো।পারবে? পারবে না। তাহলে তুমি অবশ্যই ঘোরের মধ্যে আছো,অসুস্থ হয়ে গেছো বা পাগল হয়ে গেছো,না হলে কিভাবে জাহান্নামের দিকে এগিয়ে যাচ্ছো? জেনে রাখো,তোমার চিকিৎসা দরকার,রুহানি চিকিৎসা।.তালাশ করো তোমার রবকে,নিজ গুনাহের কারণে অনুতপ্ত হও,তওবা করো,সকল গুনাহ করা থেকে বিরত থাক যতক্ষণ না মৃত্যু হয়।ঐ যে সামনে জাহান্নাম।সাবধান! আর এগিও না,এখানেই থামো, নইলে জান্নাতের ঘ্রানও পাওয়া যাবে না!
তাবেয়ীদের ঈমানদীপ্ত জীবনকথা -
মহান তাবেয়ী তাউস ইবনে কায়সান রাহিমাহুল্লাহ--
------------------------------------------------------------------------------------
এই সংক্ষিপ্ত পরিসরে একজন মহান তাবেয়ীর জীবনের কিছু আলোকোজ্জ্বল অংশ তুলে ধরছি। নাম তাউস ইবনে কায়সান।সাহাবী ছিলেন না, তবে ইলম ও আমলে, আদর্শ ও চরিত্রে ছিলেন সাহাবীগণের উত্তম নমুনা। দীনের জন্য ত্যাগ ও মুজাহাদায় সাহাবী রা.থেকে পিছিয়ে ছিলেন না কোন অংশে।
তাবেয়ী তাউস ইবনে কায়সান ছিলেন বিশিষ্ট সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা.এর একান্ত শিষ্যদের একজন। ইয়েমেনে যে সকল তাবেয়ী ছিলেন তাঁদের মাঝে প্রথম সাঁড়িতে ছিল তাঁর অবস্থান। সাহাবা রা.এর বড় একটি জামাতের সাক্ষাৎ ও সোহবত লাভে ধন্য হয়েছিলেন তাউস রহ.। এজন্য তাঁর চলাফেরায় ছিল সাহাবায়ে কেরাম রা.এর পূর্ণ প্রতিচ্ছবি।
তাবেয়ী তাউস ইবনে কায়সানের জীবনের কিছু আলোকিত অংশ
তাবেয়ী তাউস ইবনে কায়সানকে বিশেষভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, তাঁর ইলম ও প্রজ্ঞা জগদ্ব্যাপী সুপ্রসীদ্ধ।
অনেক সাহাবি রা. থেকে হাদিস বর্ণনার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন তিনি।
তাঁর সম্পর্কে বিখ্যাত তাফসীর শাস্ত্রজ্ঞ ইবনে কাসির রহ. বলেন- তাবেয়ী তাউস ইবনে কায়সান ছিলেন মনীষী ইমামদের অন্যতম।
ইমাম নববী রহ. বলেন, ইলম ও আমলের দিক থেকে তিনি ছিলেন অত্যুচ্চ স্তরের অধিকারী। ইমাম নববী বলেন, তাউস সবচেয়ে বেশি ফয়েজ ও ইলম হাসিল করেছেন সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে, যদিও তিনি ছিলেন হযরত ইবনে আব্বাস রা.এর বিশেষ শাগরেদদের অন্যতম।
আল্লামা ইবনে খাল্লিকান বলেন, অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার অধিকারী ফকীহ ছিলেন তাবেয়ী তাউস রহ,। স্বপ্ন ব্যাখ্যায় তাঁর এতোই অবিজ্ঞতা ও জ্ঞান ছিল যে, তাঁকে বলা হতো ইয়েমেনের ইবনে সিরীন।
মুহাদ্দিস ইবনে হিব্বান রহ. বলেন, তাউস ছিলেন ইয়েমেনের ইবাদগুজার বুযুর্গদের শীর্ষস্থানীয়। নামাজের প্রতি তাঁর এতোটাই ইশক-মুহাব্বত ছিল যে, মৃত্যুশয্যায় শায়িত হয়েও দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তেন। চল্লিশ বার হজ্জ করেছেন, তাওয়াফের সময় ধীর স্থীর নিশ্চুপ থাকতেন। কারো কথারও কোন উত্তর দিতেন না। তিনি বলতেন, তাওয়াফ তো নামাজতুল্য ইবাদত।
ইবাদত ও যাহাদত, আনুগত্য ও দুনিয়ার প্রতি নির্মোহতা, গভীর ইলম ও নিষ্ঠাপূর্ণ আমল ইত্যাদি দীনী বিষয়ে তিনি ছিলেন সাগরসদৃশ। ইবনে আব্বাস রা.থেকে অধিকাংশ বর্ণনা আমরা তাউস রহ.এর কল্যাণে লাভ করেছি। বিশিষ্ট তাবেয়ীদের অনেকেই তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।
যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুজাহিদ, আতা, আমর বিন দিনার, ইবরাহীম ইবনে মায়সারাহ, আবু যুবাইর, মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির, যুহরি, দাহহাক, ওয়াহহাব ইবনে মুনাব্বিহ প্রমুখ বিজ্ঞ তাবেয়ীগণ।
দুই, ইবাদত-মুজাহাদা
=============
তাউস ইবনে কায়সান ছিলেন গভীর ইলমী যোগ্যতার অধিকারী। তাকে আল্লাহ যতটুকু ইলম দান করেছেন তার চেয়েও বেশি দান করেছিলেন আমলের শওক ও জযবা। সর্বদা তিনি ছিলেন সওয়াব লাভের প্রত্যাশী। আল্লাহমুখিতা ছিল তাঁর সর্বক্ষণের আমল।
ইবনে কাসির তাঁর সম্পর্কে বলেছেন- তাউস রহ. হজ্জরত অবস্থায় পবিত্র মক্কা মুকাররামায় ইন্তিকাল করেন। ইবনে শাওযাব বলেন, আল্লাহ তাউসের উপর রহম করুন। তিনি চল্লিশবার হজ্জ পালন করেন।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ. তাউস সম্পর্কে বলেন, তাউস ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা আসর নামাজ আদায় করে কিবলামুখী হয়ে বসে পড়তেন। এসময় কারো সাথে কথা বলতেন না, শুধুই দোয়া করতে থাকতেন মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে।
তিনি উদাসীন ব্যক্তিদের মোটেও পসন্দ করতেন না। একবার প্রভাতে তাউস বিন কায়সান একজন লোকের সাথে দেখা করতে আসলেন। এসে শুনলেন লোকটা ঘুমুচ্ছে। তখন তিনি মন্তব্য করলেন, এমন ব্যক্তির সাথে আমার সাক্ষাতের প্রয়োজন নেই যে সকালে ঘুমায়।
তাবেয়ী তাউসের দু‘চোখ থেকে যেন ঘুম একেবারে বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছিল। ইবনুল জাওযি রহ. বলেন, তাবেয়ী তাউস কখনো কখনো বিছানা বিছিয়ে গা এলিয়ে দিতেন। খানিকবাদে গা ঝেড়ে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়তেন, ও কিবলামুখী হয়ে এবাদতে রাত কাটিয়ে দিতেন। তিনি প্রায়ই বলতেন, জাহান্নামের স্মরণ আবেদদের ঘুম নিঃশেষ করে দিয়েছে।
তিনি প্রায়ই একথা বলতেন যে, বনি আদম যে কথাই বলুক সব কথার হিসাব হবে, এমনকি অসুস্থাবস্থায় সে যে, কাতর স্বর তার মুখ থেকে বের হয় সে জন্যও জবাবদিহি করতে হবে। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ, অসুস্থ হয়ে কিছুটা কাতরাচ্ছিলেন, তাউস রহ.এর কথা শুনে একেবারে চুপ হয়ে গেলেন।
ইবনে কাসির রহ. বলেন, তাউস বলতেন- আল্লাহকে এমন ভয় করো যে, অন্য কারো ভয় তোমার মাঝে না থাকে। আর আল্লাহর প্রতি এতো বেশি আশাবাদি হও যা তাঁর প্রতি ভয় থেকেও বেশি। এবং তুমি অপরের জন্য তাই পসন্দ করো যা নিজের জন্য পসন্দ কর।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না
বোনদের জন্য জরুরী কিছু দ্বীনি কিতাব
--------------------------------------------------
১.বেহেশতী জেওর
লেখক : মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ:
২.ফিকহুন নিসা
লেখক : মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন
৩.আহকামুন নিসা
লেখক : মাওলানা হেমায়েত উদ্দীন
৪.সীরাতে আয়শা
লেখক : সাইয়্যেদ সুলাইমান নদভী রহ:
৫. নব বধুর উপহার
লেখক : মুফতি রুহুল আমীন যশোরী রহ:
৬.আদর্শ মা
লেখক : ঐ
৭.সকাল-সন্ধার আমল
লেখক : ঐ
৮.গল্পে আঁকা মহীয়সী খাদীজা
অনুবাদ: ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী
৯.আদর্শ স্ত্রী
লেখক : ঐ
১০.নারী সমাজের ভুল ও তার প্রতিকার
লেখক : মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল আলীম
১১.ইমাম মাহদীর দোস্ত-দুশমন
লেখক : মাওলানা আসেম উমর দা:বা:
১২.মহিলা সাহাবীদের জীবনাদর্শ
মাওলানা আশেকে এলাহী বুলন্দশহরী রহ:
১৩.মেয়েদের সুন্দর জীবন
লেখক :সাইয়্যেদা খাইরুননিসা রহ:
(সাইয়্যেদ আলী মিয়া নদভীর আম্মা)
১৪.আমার আম্মা
লেখক : সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ:
১৫.মুসলিম নারীদের অমর কীর্তি
লেখক : মাওলানা যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী
১৬.নারী ঘরের রানী
লেখক : ঐ
১৭.সোনালী সংসার
লেখক : ঐ
১৮.হে আমার মেয়ে
লেখক : শায়েখ আলী তানতাবী
১৯.ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে
লেখক : ড.আবদুর রহমান আরিফী
২০.মহা-প্রলয়
লেখক : ঐ
২১.জীবন উপভোগ করুন
লেখক : ঐ
২২.হতাশ হবেন না
লেখক : ড.আয়েয আল-করনী
২৩.তুমি সেই রানী
লেখক : আবদুল মজিদ দরিয়াবাদী
২৪.আদর্শ পিতা-মাতা
সম্পাদনায়: হাফেয মাওলানা মুহাম্মাদ হাবীবুর রহমান
২৫.বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্ট্র প্রহর
লেখক : মির্জা ইয়াউয়ার বেগ
২৬.ভুবনজয়ী নারী
লেখক : যাইনুল আবেদীন
২৭.ঈমান সবার আগে
লেখক: মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক
২৮.তাহারাতুন নিসওয়ান
নাদিয়াতুল কুরআন প্রকাশনী
২৯. হিজাবুন নিসওয়ান
লেখক: হাফেয মাওলানা হাবীবুর রহমান
বি:দ্র:= বইগুলি ঘরে বসে পেতে যোগাযোগ করুন
#রফরফ_বুক_পয়েন্ট
মোবা:০১৭১২১২৭৮৯২/০১৯৭২১২৭৮৯২
বি:দ্র:= বইগুলি ঘরে বসে পেতে যোগাযোগ করুন
#রফরফ_বুক_পয়েন্ট
মোবা:০১৭১২১২৭৮৯২/০১৯৭২১২৭৮৯২
Subscribe to:
Posts (Atom)


